• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩৯ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
নীলফামারীতে তিন দিনের ইজতেমা শুরু ভোটের দিনে লিফলেট বিতরণের দায়ে জামায়াত নেতার অর্থদন্ড নীলসাগর ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত, ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের রেল যোগাযোগ বন্ধ বিশ্ব স্ট্রোক দিবস: স্ট্রোকের ঝুঁকি, রিহ্যাবের সংকট ও পুনর্বাসনে সচেতনতার আহ্বান তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার হত্যা মামলায় মাগুরার সাবেক ওসি ও এসআই জেলহাজতে ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে ৯ কর্মকর্তা প্রত্যাহার সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় জলঢাকা পৌরসভার সাবেক মেয়র গ্রেপ্তার রানীরবন্দরে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ব্যবসায়ী নিহত “ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী”

‘বিজেপি হটাও’ প্রচারণা শুরু মমতার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ২০১৯ সালেই ভারত থেকে ‘বিজেপি হটাও’এর ডাক দিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি।

বুধবার পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলায় এক জনসভা থেকে ভারত ছাড়ো আন্দোলনের সময় গান্ধীজির সেই বিখ্যাত উক্তি তুলে ধরে মমতা বলেন ‘মহাত্মা গান্ধী ‘ডু অর ডাই’ ডাক দিয়েছিলেন। আমরাও সেটাই করবো। আমাদের স্লোগান ২০১৯-এ বিজেপি ভারত ছাড়ো, বিজেপি হটাও-দেশ বাঁচাও’।

মমতার অভিযোগ, শাসক দলের অধীনে ভারতে আজ গণতন্ত্র বিপন্ন হয়ে গেছে। দেশের মানুষ বিপন্ন, মানুষের স্বাধীনতা, মানুষের অধিকার বিপন্ন। অনেক রাজনৈতিক দলই আজ ভয়ে কথা বলতে পারে না। বিরোধী দলের কন্ঠ রোধ করা হচ্ছে। দেশে গণতন্ত্রের নামে স্বৈরতন্ত্রের চাবুক চলছে। আমরা সরব হই বলে আমাদের বিরুদ্ধে কখনো সিবিআই, ইডি কখনো আবার ইনকাম ট্যাক্সকে দিয়ে ভয় দেখানো হচ্ছে। কখনো আবার বদনাম করা হচ্ছে। তাই বিজেপিকে উৎখাত করতে আমরা সমস্ত আঞ্চলিক দলের সাথে থাকবো, তাদের সহায়তা করবো। আমরা কখনো ক্ষমতা চাই না। আমরা চাই ভাগাভাগির রাজননৈতিক হিংসা, সাম্প্রদায়িকতার রাজনীতি বন্ধ হোক।

বিজেপির বিরুদ্ধে ভারত ভাগের অভিযোগ তুলে মমতা বলেন, আজকে যারা দিল্লিতে ক্ষমতায় আছে, তারা দেশটাকে ভাগ করতে চাইছে। কেউ কেউ তো রাজনৈতিক স্বার্থে বাংলা ভাগও চাইছেন। ওরা চায় আমরা বিভক্ত হয়ে যাই। আমাদের ঘরে আগুন লাগুক। আর এই সুযোগে ওরা ঘোলা পানিতে মাছ ধরতে বেরোবে। কিন্তু সেটা হবে না। আমরা কোন ভাগাভাগি করতে দেবো না।

সিপিআইএম’র বিরুদ্ধে দ্বিচারিতার অভিযোগ এনে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এরা (সিপিআইএম) বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন রকম কথা বলে। গত ৩৪ বছর ধরে তারা বাংলাকে জ্বালিয়ে শেষ করে দিয়েছে। সিপিআইএম’র কেউ কেউ এখন সম্পত্তি রক্ষার স্বার্থে ও নিজেদেরকে বাঁচাতে দিল্লির শাসকদলের হাত ধরেছে। কিন্তু মনে রাখতে হবে যে বিজেপির হাত ধরে দিল্লিতেও বাঁচা যাবে না, বাংলাতেও বাঁচা যাবে না। কারণ এটা রাজনৈতিক লড়াই, গণতন্ত্রের লড়াই।

মূলত মমতার হাত ধরেই আনুষ্ঠানিকভাবে ‘বিজেপি ভারত ছাড়ো’ আন্দোলন শুরু হলো এদিন। এই উপলক্ষ্যে আগামী ৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গের প্রতিটি ব্লকে, বুথে, জেলায়, বিধানসভা ক্ষেত্রগুলোতে দলের তরফে মিটিং, মিছিল, পথসভা কর্মসূচি পালন করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ